চলচ্চিত্র: সূর্য দীঘল বাড়ী
পরিচালক: মসিহউদ্দিন শাকের, শেখ নিয়ামত আলী
কলাকুশলী: ডলি আনোয়ার, রওশন জামিল, জহিরুল হক, আরিফুল হক, কেরামত মাওলা, এটিএম শামসুজ্জামান
দেশ: বাংলাদেশ
সাল: ৩০ ডিসেম্বর, ১৯৭৯
গল্প সংক্ষেপ
সুবিধাভোগী-শাসক সমাজপতিরা যে কেবল আর্থিক উৎপীড়ন করে শুধু তাই নয়, গ্রামের সাধারণ অর্থাৎ অজ্ঞ-অশিক্ষিত মানুষদের কুসংস্কার-অজ্ঞতা-গোঁড়ামি এবং ধর্মান্ধতাকে পুঁজি করে নিজেদের স্বার্থের জাল আরো ব্যাপক আকার বিস্তার করে। মানুষকে দাবিয়ে রাখাও যে একটা কৌশল, একটা মোক্ষম হাতিয়ার, তাই আমরা দেখি সমাজের কতিপয় মানুষের ধান্ধায়, প্রতিদিনের রোজনামচায়।
মূল কলাকুশলী
পরিচালক : মসিহউদ্দিন শাকের, শেখ নিয়ামত আলী
প্রযোজক : মসিহউদ্দিন শাকের (জনচিত্রায়ন)
রচয়িতা : আবু ইসহাক (উপন্যাস)
সুরকার : আলাউদ্দিন আলী
চিত্রগ্রাহক : আনোয়ার হোসেন
সম্পাদক : সাইদুল আনাম টুটুল
পরিবেশক শাওন সাগর লিমিটেড
অভিনয়শিল্পী
ডলি আনোয়ার – জয়গুন
রওশন জামিল – শফির মা
জহিরুল হক – গদু প্রধান
আরিফুল হক – খলিল
কেরামত মাওলা – করিম বক্স
এটিএম শামসুজ্জামান – জোবেদ ফকির
সৈয়দ হাসান ইমাম – ইমাম
ফখরুল হাসান বৈরাগী – লেদু
নাজমুল হুদা বাচ্চু – ডাক্তার রমেশ
সেতারা বেগম – লালুর মা
সুফিয়া – আঞ্জুমান
ইলোরা গহর – মায়মুন
সজিব – কাসু
লেনিন – হাসু
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার
বিজয়ী: শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র – মসিহউদ্দিন শাকের (প্রযোজক)
বিজয়ী: শ্রেষ্ঠ পরিচালক – শেখ নিয়ামত আলী ও মসিহউদ্দিন শাকের[২]
বিজয়ী: শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী – ডলি আনোয়ার
বিজয়ী: শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্য – শেখ নিয়ামত আলী ও মসিহউদ্দিন শাকের
বিজয়ী: শ্রেষ্ঠ চিত্রগ্রহণ – আনোয়ার হোসেন
বিজয়ী: শ্রেষ্ঠ সম্পাদনা – সাইদুল আনাম টুটুল
বিজয়ী: শ্রেষ্ঠ শিশুশিল্পী – ইলোরা গহর ও সজিব
বিজয়ী: শ্রেষ্ঠ শিশুশিল্পী (বিশেষ শাখায়) – লেনিন
আন্তর্জাতিক সম্মাননা
বিজয়ী ফিল্ম ডুকাট্ পুরস্কার
বিজয়ী ক্যাথটিক জুরি পুরস্কার
বিজয়ী এভান্গেলিক্যাল জুরি পুরস্কার
বিজয়ী ডন কিজোট পুরস্কার
বাচসাস পুরস্কার
সূর্য দীঘল বাড়ী ছবিটি ১৯৭৯ সালে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক পুরস্কার-এর মোট ছয়টি বিভাগে পুরস্কার লাভ করে।
মুক্তি ৩০ ডিসেম্বর, ১৯৭৯